শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৫১২ বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার শঙ্কা, বাংলাদেশেও সতর্কতা জারি আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে: স্পিকার পাঁচ বছরের বেশি সময় পর মা অং সান সু চির সঙ্গে কথা বললেন ছেলে হোম ডেলিভারিতে মাদক, ঝুঁকিতে তরুণ প্রজন্ম সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ি ফিরলেন সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকেরা আরব আমিরাতে বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব চোরাই ও ক্লোন ফোন বন্ধে দুই ধাপে এনইআইআর চালুর পরিকল্পনা বিটিআরসির বুকে ব্যথা নিয়ে সিসিইউতে ভর্তি মন্ত্রী মঈন খান এআই ও আধুনিক নিউজরুম কৌশলে দক্ষতা বাড়াতে খুলনায় সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ
  • অসচ্ছলদের সহায়তা লুটপাট

    তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি

    তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দুর্নীতি সর্বত্র। যে যেখানে সুযোগ পাচ্ছে, সেখানেই দুর্নীতির কালো হাত বাড়িয়ে ধরছে। সরকার দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষকে কিংবা অসহায় বিধবা, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, পঙ্গু কিংবা দুস্থ মানুষকে সহায়তার জন্য অনেক রকম কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। রয়েছে কাজের বিনিময়ে খাদ্য, ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিংসহ নানা ধরনের কর্মসূচি।

    কিন্তু সর্বত্রই কালো হাতের কুৎসিত থাবাও রয়ে গেছে। গতকাল একটি দৈনিকে প্রকাশিত খবরে দেখা যায়, ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডাব্লিউবি) কর্মসূচির আওতায় যে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে, তা-ও পৌঁছায় না লক্ষ্য জনগোষ্ঠীর হাতে। নীলফামারী জেলা সদরের সংগলশী ইউনিয়নে এই কর্মসূচিতে ১৫ জনের একটি তালিকা রয়েছে। চলতি বছরে ১০ দফায় প্রত্যেককে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তালিকার এক-তৃতীয়াংশই কোনো চাল পায়নি বলে জানিয়েছে।


    প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বঞ্চিতদের অভিযোগ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে ঘুরেও তাঁরা ভিডাব্লিউবি কর্মসূচির কার্ড হাতে পাননি। তাঁদের বলা হয়েছে, তাঁদের নাম তালিকায় নেই। অথচ বাস্তবে দেখা যায়, প্রতি কিস্তিতেই তাঁদের নামে চাল তোলা হয়েছে। তেমনই একজন হলেন রত্না রানী রায়।

    স্বামী দুর্ঘটনায় পঙ্গু। ছয়জনের সংসার চালানোর দায়িত্ব তাঁর ওপর। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটে। অনেক ঘুরেও তিনি কার্ড হাতে পাননি। অথচ তাঁর নাম তালিকায় রয়েছে।

     

    তালিকার ৯ নম্বর ক্রমিকে আছে দীঘলডাঙ্গি গ্রামের ভবেশের স্ত্রী পারুল রানী। তিনিও কোনো সহযোগিতা পাচ্ছেন না। সুবর্ণখুলি গ্রামের প্রতিবন্ধী দম্পতি মৌসুমি ও ইউনুস থাকেন দরিদ্র শ্বশুরের আশ্রয়ে। তাঁদের নামও তালিকায় আছে, কিন্তু তাঁরাও কোনো কার্ড বা সহযোগিতা পান না। অন্যদিকে তালিকার ৭ নম্বরে আছেন মুক্তা রানী রায়। তাঁর অবস্থা সচ্ছল। তিনি নিজে সহযোগিতা না নিলেও অন্য কেউ সেই সহযোগিতা নিচ্ছে। অর্থাৎ তালিকায় নাম থাকা অসচ্ছলরা চাল পাচ্ছেন না। আবার তালিকায় কিছু সচ্ছল ব্যক্তির নাম ঢুকিয়ে তাঁদের চাল আত্মসাৎ করা হচ্ছে।

     


    শুধু নীলফামারী নয়, সারা দেশেই চলছে এ ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি। জনপ্রতিনিধি পরিচয়ে কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়ে চলে এই অনিয়ম। প্রশাসনকে এসব অপরাধের বিষয়ে আরো তৎপর হতে হবে। নীলফামারীর সংগলশী ইউনিয়নে ভিডাব্লিউবি কর্মসূচি নিয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা দ্রুত তদন্ত করতে হবে। গরিব মানুষের সহযোগিতা আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনতে হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ