বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি ৮.৩৪%, মজুরি সূচক নেমেছে ৭.৯০ শতাংশে টেন্ডার থেকে বদলি-পদায়ন, গণপূর্তের বদরুল আলমকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক জোরদারে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ কে এই নেহা বোরা, ভারতের ছাত্র-যুব আন্দোলনের আলোচিত মুখ রসায়নে নোবেল পেলেন ফরাসি ও জাপানি দুই বিজ্ঞানী সুবিধাবঞ্চিতদের চিকিৎসাসেবা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৬০ একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন শিক্ষার অন্তরালে বিত্তবৈভব: সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে চাঞ্চল্য! ‘মুসলিমরা ফ্রান্স দখলের চেষ্টা করছেন’ ট্রাম্পের দাবি 
  • দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে আবারও অসাধু সিন্ডিকেট সক্রিয়: নাহিদ ইসলাম

    দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে আবারও অসাধু সিন্ডিকেট সক্রিয়: নাহিদ ইসলাম
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মাল্টা, পোলাওয়ের চাল, ডিম ও এলপিজিসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ার পেছনে অসাধু সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তার অভিযোগ, বাজারে আবারও অসাধু সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

    সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

    পোস্টে তিনি দাবি করেন, গত দুই মাস ধরে প্রতি কেজি মাল্টা ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। অথচ আমদানির নথি অনুযায়ী, প্রতি কেজি মাল্টার ক্রয়মূল্য ৮৭ টাকা। আমদানি শুল্ক, পরিবহন ব্যয় ও মুনাফা যোগ করার পরও প্রতি কেজির সর্বোচ্চ খরচ ২১০ টাকা হওয়ার কথা। সে হিসাবে খুচরা বাজারে মাল্টার দাম ২৫০ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    মাল্টার দাম বাড়ার কারণ হিসেবে সরবরাহ-সংকটের কথা বলা হলেও আমদানি তথ্য তা সমর্থন করে না বলেও দাবি করেন নাহিদ। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বরের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে অন্তত ২২ শতাংশ বেশি মাল্টা আমদানি হয়েছে। এরপরও দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ায় গত দুই মাসে অসাধু সিন্ডিকেট কয়েক শ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    পোলাওয়ের চালের দাম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এনসিপির আহ্বায়ক। তার দাবি, ১২০ টাকার পোলাওয়ের চাল বর্তমানে ২৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুধু এই চালের দাম বাড়ানোর মাধ্যমে গত তিন মাসে আনুমানিক দেড় হাজার কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

    ডিমের দাম প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রতি ডজন ডিমের গড় দাম ছিল ১২০ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মুরগির খাবারের দাম বাড়ার কারণে ডিমের দাম বাড়ার যুক্তি দেওয়া হলেও সেই ব্যয়বৃদ্ধি বিবেচনায় প্রতিটি ডিমের দাম প্রায় এক টাকা বাড়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে দাম বেড়েছে পাঁচ টাকা বলে দাবি করেন তিনি।

    এলপিজির দাম নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নাহিদ। তার ভাষ্য, ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম কয়েক দফা বাড়ানোর পরও বাজারে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে অন্তত এক হাজার টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। দেশে এলপিজির আমদানি পর্যাপ্ত থাকার পরও অতিরিক্ত এই অর্থ প্রতিদিন কারা নিচ্ছে, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ার পেছনে প্রকৃত ব্যয় ও সরবরাহ পরিস্থিতি যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তার অভিযোগ, বাজারে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন