বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৪৬, ১৭৯ জন আহত নারী ও শিশুর সুরক্ষায় ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার ইসরায়েলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চান বিরোধী নেতা গোলান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার
  • ভ্যাকসিন ও বায়োসিমিলার উৎপাদনে স্বনির্ভর হতে জাতীয় কৌশল করবে সরকার

    ভ্যাকসিন ও বায়োসিমিলার উৎপাদনে স্বনির্ভর হতে জাতীয় কৌশল করবে সরকার
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পকে আরও উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যেতে বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে দ্রুত একটি জাতীয় কৌশল প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

    তিনি বলেন, জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের বিকাশ এবং উচ্চ দক্ষতার কর্মসংস্থান তৈরিতে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে।

    রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হোটেল দ্য ওয়েস্টিনে ‘জেনেরিক থেকে বায়োসিমিলার ও ভ্যাকসিন: বায়ো-ইকোনমির পথে বাংলাদেশের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল খাতের উন্নয়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বায়োটেড এ বৈঠকের আয়োজন করে।

    ৩ থেকে ৫ বছরের রোডম্যাপ

    স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ওষুধশিল্প দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ওপর দাঁড়িয়ে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। এখন জেনেরিক ওষুধের পাশাপাশি বায়োসিমিলার, ভ্যাকসিন এবং বায়োটেকনোলজির মতো উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদনে যাওয়ার সময় এসেছে।

    আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে বায়োফার্মাসিউটিক্যাল ও ভ্যাকসিন গবেষণার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    ড. এম এ মুহিত বলেন, এই খাতের বিকাশে প্রায় ১০ হাজার দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ প্রয়োজন হবে। সরকার সাধারণ কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক উচ্চমানের কর্মসংস্থান তৈরিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

    নিয়ন্ত্রক সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ

    ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (ডিজিডিএ) নিয়ন্ত্রক সক্ষমতা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ‘ম্যাচিউরিটি লেভেল-৩’ পর্যায়ে উন্নীত করার কাজ এগিয়ে চলছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

    গবেষণার সক্ষমতা বাড়াতে স্বাস্থ্য খাতের বাজেট থেকে সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মলিকুলার বায়োলজি ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তরুণ গবেষকদের উৎসাহিত করতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা তহবিল বাড়ানোর বিষয়েও কাজ চলছে।

    বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান

    সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, অংশীজনদের নিয়ে দ্রুত একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় কৌশলপত্র চূড়ান্ত করা প্রয়োজন।

    তিনি বলেন, পরিকল্পিতভাবে গবেষণা, দক্ষ মানবসম্পদ ও অবকাঠামো উন্নয়ন করা গেলে বাংলাদেশ শুধু নিজেদের ভ্যাকসিন ও জৈবপ্রযুক্তিনির্ভর ওষুধের চাহিদা পূরণই নয়, ভবিষ্যতে বৈশ্বিক বায়োফার্মাসিউটিক্যাল বাজারেও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।

    অনুষ্ঠানে আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ, সোমরু বায়োসায়েন্সের মোহাম্মদ মইন, বায়োটেডের মোসাদ্দেক হোসেন, জেনএক্সের ডা. মুনিয়া আমিনসহ সংশ্লিষ্ট খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন