বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৪৬, ১৭৯ জন আহত নারী ও শিশুর সুরক্ষায় ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার ইসরায়েলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চান বিরোধী নেতা গোলান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার
  • অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে ডায়েটের ভূমিকা, কী খাবেন আর কী এড়াবেন

    অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে ডায়েটের ভূমিকা, কী খাবেন আর কী এড়াবেন
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    অ্যাজমা একটি দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসতন্ত্রের রোগ। যদিও এটি সরাসরি কোনো খাবারের কারণে হয় না, তবে কিছু নির্দিষ্ট খাবার অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ বাড়িয়ে দিতে পারে। আবার সঠিক খাদ্যাভ্যাস ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং প্রদাহ কমাতে সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের অ্যাজমা রয়েছে তাদের আগে নিজের শরীরের খাদ্য-সংবেদনশীলতা বা ট্রিগার শনাক্ত করা জরুরি। বিশেষ করে সালফাইটযুক্ত খাবার, যেমন শুকনো ফল, ওয়াইন এবং কিছু প্রক্রিয়াজাত আলু জাতীয় খাবার অনেকের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টের সমস্যা বাড়াতে পারে।

    এছাড়া সংরক্ষণকারী উপাদানযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস—যেমন হট ডগ, সসেজ, হ্যাম, পেপারোনি ও টিনজাত মাংস—যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। যাদের দুধ, ডিম, চিনাবাদাম, শেলফিশ বা অন্য কোনো খাবারে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের জন্য এসব খাবারও অ্যাজমার উপসর্গ তীব্র করতে পারে।

    গবেষণায় দেখা গেছে, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। Nutrition Reviews-এ প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, উদ্ভিদভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস শরীরের প্রদাহ ও অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করে, যা অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

    বিশেষজ্ঞরা বেশি করে ফলমূল, শাকসবজি, ডাল, পূর্ণ শস্য এবং আঁশসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে প্রাণিজ চর্বিযুক্ত খাবার কমানো এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখাও অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে।

    ফুসফুসের সুস্থতায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবারের গুরুত্বও রয়েছে। বেরি, কমলা, পালং শাক, ব্রোকলি ও গাজরের মতো ফল ও সবজি প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এছাড়া স্যামন, সার্ডিন, আখরোট ও ফ্ল্যাক্স সিডের মতো ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ খাবার, ভিটামিন ডি-সমৃদ্ধ খাদ্য, ডাল, পূর্ণ শস্য এবং ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার—যেমন সবুজ শাক ও কুমড়ার বীজ—নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখা উপকারী হতে পারে।

    তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে খাদ্যাভ্যাস সহায়ক হলেও এটি চিকিৎসার বিকল্প নয়। নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করাই রোগ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন