বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৪৬, ১৭৯ জন আহত নারী ও শিশুর সুরক্ষায় ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার ইসরায়েলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চান বিরোধী নেতা গোলান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার
  • বিশ্ব রক্তদান দিবস; রক্তদানে সচেতনতা ও স্বাস্থ্যগত শর্ত কী কী

    বিশ্ব রক্তদান দিবস; রক্তদানে সচেতনতা ও স্বাস্থ্যগত শর্ত কী কী
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আজ ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদান দিবস। ২০০৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) উদ্যোগে এই দিবস পালনের সূচনা হয়। স্বেচ্ছায় ও বিনামূল্যে রক্তদানে মানুষকে উৎসাহিত করা এবং নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের গুরুত্ব তুলে ধরাই এ দিবসের মূল উদ্দেশ্য।

    ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী, শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ এবং অন্তত ৪৫ কেজি ওজনের ব্যক্তিরা সাধারণত চার মাস পরপর রক্তদান করতে পারেন। তবে নিরাপদ রক্ত সঞ্চালনের জন্য দাতাকে অবশ্যই কিছু নির্দিষ্ট সংক্রামক রোগ থেকে মুক্ত থাকতে হয়।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, রক্তদাতার শরীরে হেপাটাইটিস ‘বি’, হেপাটাইটিস ‘সি’, এইচআইভি (এইডস), ম্যালেরিয়া এবং সিফিলিস—এই পাঁচটি রোগের অনুপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয় স্ক্রিনিং পরীক্ষার মাধ্যমে। পাশাপাশি রক্তের গ্রুপ নির্ধারণ এবং ক্রসম্যাচিং করা অপরিহার্য।

    রক্তদানের আগে দাতার শারীরিক অবস্থা যেমন রক্তচাপ, শরীরের তাপমাত্রা, পালস রেট, ওজন ও রক্তস্বল্পতা আছে কি না—এসবও পরীক্ষা করা হয়।

    রক্ত মানবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। পর্যাপ্ত রক্ত থাকলে শরীর সক্রিয় ও সুস্থ থাকে, আর রক্তশূন্যতায় দুর্বলতা ও বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত রক্তদান শরীরের জন্যও উপকারী। এতে নতুন রক্তকণিকা তৈরির প্রক্রিয়া সক্রিয় থাকে, রক্তে আয়রনের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং কিছু ক্ষেত্রে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমতে পারে। এছাড়া রক্তদানের সময় পরীক্ষার মাধ্যমে সংক্রামক রোগ সম্পর্কে আগেভাগেই জানা সম্ভব হয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন