বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নেটদুনিয়ায় আলোচনায় তানিয়া মিশ্রা, জানুন তার পরিচয় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ সামাজিক অনাচার দূর করতে সরকার ব্যর্থ: চরমোনাই পীর হামের উপসর্গে আরও ৫ মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৩ অপরাধীর কোনো দলীয় পরিচয় নেই, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: আইজিপি দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে চেহারা, নাকি ব্যক্তিত্ব-কোনটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ? দুদকের প্রেস ব্রিফিং নিয়ে আসিফ মাহমুদের রিট কার্যতালিকা থেকে বাদ হৃদরোগ প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জনকল্যাণে এআই ও সেমিকন্ডাক্টরে গবেষণার আহ্বান রাষ্ট্রপতির একনেকে ১৩ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১৫ হাজার ৮২৩ কোটি টাকা
  • আলোকবর্ষ কী? মহাকাশের দূরত্ব মাপার অনন্য একক

    আলোকবর্ষ কী? মহাকাশের দূরত্ব মাপার অনন্য একক
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মহাকাশ নিয়ে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। তবে এই কৌতূহল মেটাতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে ফেলেন একটি শব্দ নিয়ে—তা হলো "লাইট ইয়ার" বা "আলোকবর্ষ"। অনেকেই মনে করেন, "লাইট ইয়ার" মানে এক বছর সময়। চিকিৎসাবিজ্ঞান বা সাধারণ গণিতের মতো এটিকে অনেকে সময়ের একক মনে করেন। আসলে এটি সময়ের একক নয়, মহাকাশের বিশাল দূরত্ব মাপার জন্য ব্যবহৃত একটি একক।

    এক আলোকবর্ষের সহজ হিসাব

    বিজ্ঞান বলছে, আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লাখ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। এই অবিশ্বাস্য গতিতে এক বছরে আলো যতটা পথ পাড়ি দেয়, সেটাই হলো এক আলোকবর্ষ। এটি কিলোমিটারে হিসাব করলে দাঁড়ায় প্রায় ৯.৫ লাখ কোটি কিলোমিটার (৯.৪৬১ ট্রিলিয়ন কিলোমিটার)! মহাকাশের বিশালতায় কিলোমিটার বা মাইলের মতো সাধারণ এককগুলো একেবারেই অর্থহীন, তাই বিজ্ঞানীরা এই বিশাল একক ব্যবহার করেন।

    দূরত্বের বাস্তব রূপ: ৪.২ বছর আগের আলো

    মহাকাশ কতটা বিশাল, তার একটি উদাহরণ হলো আমাদের সবচেয়ে কাছের তারা "প্রক্সিমা সেন্টোরাই"। এই তারাটি আমাদের পৃথিবী থেকে প্রায় ৪.২ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত। এর মানে হলো, সেখান থেকে আলো আমাদের পৃথিবীতে আসতে সময় লাগে ৪.২ বছর। ফলে, আমরা যখন এই তারাটিকে দেখি, আসলে আমরা ৪.২ বছর আগের ছবি দেখি।

    রাতের আকাশের টাইম মেশিন

    একটি মজার কিন্তু গভীর তথ্য হলো, রাতের আকাশে আমরা হাজার হাজার বছর আগের আলো দেখি। অনেক তারা এতটাই দূরে যে, তাদের আলো আমাদের কাছে পৌঁছাতে হাজার হাজার বা লক্ষ লক্ষ বছর লেগে যায়। ফলে, আমরা যে তারাটিকে দেখছি, সেটি এখন আসলে আছে কিনা, আমরা জানি না! হয়তো অনেক আগেই তারাটি ধ্বংস হয়ে গেছে, কিন্তু তার আলো এখনো আমাদের পৃথিবীতে এসে পৌঁছাচ্ছে। মহাকাশ যেন এক জীবন্ত ‘টাইম মেশিন’, যেখানে অতীত আর বর্তমানের মিলন ঘটে প্রতিনিয়ত।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ