পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে তিন খাতে বিশেষ গুরুত্বের নির্দেশ ডিএনসিসি প্রশাসকের

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন এলাকায় মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও গতিশীল করা এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ—এই তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ শুরু করার নির্দেশনা দিয়েছেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
বুধবার (৪ মার্চ) গুলশান নগরভবনে প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এসব নির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় প্রশাসক বলেন, কর্পোরেশনের নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পাশাপাশি মশক নিধন, বর্জ্য অপসারণ এবং জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরীতে রূপান্তর করতে হলে সবাইকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিদিন তিন দফা মশক নিধন কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না তা সরেজমিনে তদারকি করতে হবে। পাশাপাশি নগরীর রাস্তাঘাটে যত্রতত্র বর্জ্য ফেলে রাখা হচ্ছে কি না এবং ড্রেন ও খালসমূহ নিয়মিত পরিষ্কার রাখা হচ্ছে কি না—এসব বিষয় কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।
আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রশাসক বলেন, শুধুমাত্র দাপ্তরিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে মাঠপর্যায়ে উপস্থিত থেকে এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে এবং তা সমাধানে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। একইসঙ্গে ডিএনসিসির কর্মীবাহিনী সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।
সভায় খাল ও ড্রেন নিয়মিত পরিষ্কার রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রশাসক উল্লেখ করেন, নিয়মিতভাবে খাল পরিষ্কার রাখা গেলে মশার প্রজনন কমবে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে।
এছাড়া এয়ারপোর্ট রোড, মিরপুর রোডসহ যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে, সেসব স্থান আগাম চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও জোর দেওয়া হয়।