বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৪৬, ১৭৯ জন আহত নারী ও শিশুর সুরক্ষায় ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার ইসরায়েলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চান বিরোধী নেতা গোলান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার
  • আপনি কি মনের মধ্যে কষ্ট চেপে রাখেন

    আপনি কি মনের মধ্যে কষ্ট চেপে রাখেন
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আপনার চেপে রাখা আবেগ, রাগ বা মানসিক চাপ শুধু মনের ওপরই নয়, সরাসরি শরীরের স্বাস্থ্যকেও প্রভাবিত করে। মনোবিজ্ঞান ও মেডিকেল সায়েন্সে এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় “Psychosomatic Effect”। দীর্ঘস্থায়ী চাপ ও অবদমিত আবেগ অনেক ক্ষেত্রে শারীরিক অসুস্থতার দিকে ঠেলে দেয়।

    চাপা আবেগ ও তার শারীরিক প্রতিফলন

    • রাগ না প্রকাশ করা: উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে।
    • কান্না চেপে রাখা: হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের দিকে ঠেলে দেয়।
    • ভয় বা উদ্বেগ: কিডনি সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।
    • ক্ষমা না করা: দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক অসুখের সম্ভাবনা।
    • না বলা কষ্ট: দীর্ঘস্থায়ী ক্লান্তি ও মানসিক চাপ।
    • গিলে ফেলা অপমান: বুক ধড়ফড় বা অস্বস্তি অনুভূত হয়।
    • দীর্ঘদিনের সিদ্ধান্তহীনতা: মাথাব্যথা, অনিদ্রা।
    • লুকানো ঈর্ষা: হজমের সমস্যা সৃষ্টি করে।
    • অপরাধবোধ: ইমিউনিটি সিস্টেম দুর্বল করে।
    • প্রকাশ না পাওয়া ভালোবাসা: হৃদয়ের উপর চাপ বৃদ্ধি পায়।
    • অতিরিক্ত দায়িত্ব: ঘাড় ও কাঁধ শক্ত হয়ে যায়।
    • ভাঙা আত্মসম্মান: হরমোনাল ভারসাম্যহীনতা।
    • চাপা রাগ: ত্বকের সমস্যা।
    • দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ: স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ কমে যায়।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

    ফ্রান্সসহ ইউরোপের বহু গবেষণায় দেখা গেছে, দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ ও আবেগের অবদমিত রাখার ফলে শরীরে সরাসরি রোগের ঝুঁকি বাড়ে। শরীর চুপ থাকে না; এটি প্রায়ই মানসিক অবস্থা প্রকাশ করে।

    প্রতিকারমূলক পদক্ষেপ:

    • কথা বলুন, লিখুন বা কাউকে বিশ্বাস করুন।
    • প্রয়োজনে কাউন্সেলিং নিন।
    • আবেগকে চেপে রাখবেন না, যাতে তা শারীরিক অসুস্থতায় রূপ না নেয়।

    ভ্যালেন্টাইন উইক বা ভালোবাসার সম্পর্কের সময় আমরা অনেক সময় অনুভূতিকে উপহাসের মতো দেখি। কিন্তু কারোর জন্য সেই অনুভূতি গুরুতর হতে পারে। তাই মানসিক ও শারীরিক ক্ষতি এড়াতে পার্টনারের আবেগ বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    “আপনার কাছে টাইমপাস হলেও, কারো কাছে তা গভীর ইমোশন। বোঝাপড়া ও যত্নই মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার চাবিকাঠি।”


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন