বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৪৬, ১৭৯ জন আহত নারী ও শিশুর সুরক্ষায় ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার ইসরায়েলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চান বিরোধী নেতা গোলান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার
  • যার নামে বিশ্ববিদ্যালয়, তাঁর দিবসের আলোচনায় শিক্ষার্থীদের অনীহা

    যার নামে বিশ্ববিদ্যালয়, তাঁর দিবসের আলোচনায় শিক্ষার্থীদের অনীহা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যু দিবস উপলক্ষে প্রতিবছর ৯ ডিসেম্বর পালিত হয় রোকেয়া দিবস। নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই মহান ব্যক্তিত্বের নাম অনুসারে প্রতিষ্ঠিত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও এবারের আয়োজন ছিল প্রাণহীন ও শিক্ষার্থীশূন্য।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং ১০টায় র‌্যালির মাধ্যমে কর্মসূচি শুরুর ঘোষণা দিলেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয় সকাল ১০টার পর। পরে মূল ফটক থেকে র‌্যালি বের হয়ে ক্যাডেট কলেজ প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসে।

    র‌্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে অনুষ্ঠানের উদ্বোধক দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার এবং বিশেষ অতিথি প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম লুৎফর রহমান উপস্থিত থাকতে পারেননি। ফলে আলোচনাসভা শুরু হয় সীমিত অতিথি নিয়ে।

    অন্যদিকে, অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত কম। প্যান্ডেলের অর্ধেকেরও বেশি আসন ফাঁকা থাকায় রোকেয়া দিবস উদযাপনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিন্ন ধরনের হতাশা ছড়িয়ে পড়ে।

    আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব। প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজম। সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।

    এই শূন্যতা ও অনিয়ম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মুঈদ অন্তর বলেন, যে গুরুত্ব ও সম্মানের সঙ্গে রোকেয়া দিবস পালন হওয়া উচিত ছিল, তা এবার দেখা যায়নি। শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণও ছিল হতাশাজনক।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক নারী শিক্ষার্থী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ অনুষ্ঠানেও যেভাবে সাজসজ্জা করে, রোকেয়া দিবসে তা দেখা যায়নি। নারী শিক্ষার জন্য যিনি এত কিছু করেছেন, তাঁকে সম্মান জানানোর মতো আয়োজন হয়নি।

    এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষার্থীরা ছিল, পরে অনেকে চলে গেছে। ভবিষ্যতে আরও সবাইকে সচেতন করে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।

    রোকেয়া দিবসে কয়েকটি বিভাগে ক্লাস ও পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া। এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য জানান, এই দিনে সাধারণত কোনো ক্লাস বা পরীক্ষা নেওয়ার নিয়ম নেই। যদি কোনো শিক্ষক তা করে থাকেন, তাহলে তার কাছেই জানতে হবে কেন তিনি ক্লাস নিয়েছেন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন