শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২০২৬ সালের সাহিত্যে নোবেল জিতলেন অ্যানি কারসন ডিপি ওয়ার্ল্ডকে এনসিটি দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, পুলিশের লাঠিপেটা হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা ১১৪৪ রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন পাহাড়ে দুটি সেনাক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত এনসিটি পরিচালনায় ১৫ বছরের দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড জলবায়ু অর্থায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে ইউএনডিপির সহযোগিতা চাইলেন মিন্টু যুব এশিয়া কাপে ৫ নভেম্বর আফগানিস্তানের মুখোমুখি বাংলাদেশ মানি চেঞ্জারে একবারে ৩ হাজার ডলার নিতে পারবেন বিদেশগামীরা বিয়ের দিনের চেয়েও সুন্দর, মেহজাবীনের নতুন সাজে মুগ্ধ ভক্তরা কেরানীগঞ্জে সড়কের পাশে রক্তমাখা নবজাতকের দায়িত্ব নিলো ইউএনও
  • কোতোয়ালি থানার চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেফতারের শৈথিল্য

    কোতোয়ালি থানার চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেফতারের শৈথিল্য
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ময়মনসিংহের কোতোয়ালি মডেল থানায় চাঁদাবাজি মামলা দায়ের হওয়ার পরও আসামীদের গ্রেফতারে শৈথিল্যের অভিযোগ এনেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মনির চৌধুরী (৬০)। তিনি দাবি করেছেন, রহস্যজনক কারণে মামলার এজাহারনামীয় আসামীদের এখনো আটক করা হয়নি।

    গত বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) মনির চৌধুরী ময়মনসিংহের পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী জানান, তিনি সেহড়া ধোপাখলা মোড় এলাকার মৃত ইমরান চৌধুরীর ছেলে। মামলার এজাহারনামীয়রা হলেন কৃষ্টপুর দৌলত মুন্সী রোড এলাকার কবির মিয়া (৪৬) এবং জামতলা এলাকার মোঃ কামাল হোসেনসহ আরও ৪-৫ জন, যারা স্থানীয় যুবলীগ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং একাধিক মামলার চিহ্নিত সন্ত্রাসী।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ২৯ আগস্ট রাতে আসামীরা ভুক্তভোগীর নামে মিথ্যা ও বানোয়াট ফেসবুক পোস্ট আপলোড করে। প্রথমে তারা মোটা অংকের চাঁদা দাবি করলে, ভুক্তভোগী ৩ হাজার টাকা প্রদান করেন। এর ২-৩ দিন পর তারা আরও ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে, যার ফলে ভুক্তভোগী বাধ্য হয়ে আরও ৪ হাজার টাকা দেন। এরপর আসামীরা বলপূর্বক অর্থ আদায়ের উদ্দেশ্যে ভুক্তভোগীকে গুরুতর খুন-জখমের হুমকি দেন।

    চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে ৮ অক্টোবর কোতোয়ালি মডেল থানায় ২৬ নং মামলা দায়ের করা হয়।

    মনির চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সোহেল রানা নিয়মিত আসামীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। আসামীরা বিভিন্ন হোটেলে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে বসে খাওয়া-দাওয়া করছে এবং ভুক্তভোগীকে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা গ্রেফতার হবেন না। এছাড়া মামলা মীমাংসা না করলে "ফাইনাল রিপোর্ট" করিয়ে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।

    ভুক্তভোগী মনির চৌধুরী বলেছেন, তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আসামীদের রহস্যজনক সখ্যতা চলতে থাকলে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হইব এবং সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে।তিনি পুলিশ সুপারের কাছে দ্রুত ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার এসআই সোহেল রানা বলেন, আসামী গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে। ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় দ্রুত বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন