বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত ৪৬, ১৭৯ জন আহত নারী ও শিশুর সুরক্ষায় ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার ইসরায়েলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চান বিরোধী নেতা গোলান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার
  • গণশিক্ষা উপদেষ্টা

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু, ১৬ বছর পর বৃত্তি পরীক্ষা ফিরছে

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু, ১৬ বছর পর বৃত্তি পরীক্ষা ফিরছে
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার জানিয়েছেন, সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ের প্রায় ২০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মিড-ডে মিল কার্যক্রম শুরু হবে। এর পাশাপাশি, ১৬ বছর পর প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু করার সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করবে এবং শিক্ষার মান উন্নতিতে সহায়ক হবে।

    রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন  প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা।

    বিধান রঞ্জন বলেন, বছরে মাত্র ১৮০ দিন প্রাথমিকে ক্লাস হয়। শিক্ষা বহির্ভূত অনেক কাজে শিক্ষকদের ব্যস্ত রাখা হয়। এর ফলে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। এ সময় শিক্ষা ক্যালেন্ডারে ছুটি কমানো হবে বলেও জানান তিনি।

    গণশিক্ষা উপদেষ্টা আরও বলেন, পরিসংখ্যান ব্যুরোর সবশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশের ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ। ২২ দশমিক ১ শতাংশ জনগোষ্ঠী এখনো নিরক্ষর। যারা কখনো বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়নি বা প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ঝরে পরেছে।

    শিক্ষকদের পদোন্নতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মামলার জন্য অনেক শিক্ষকে পদন্নোতি দেয়া যাচ্ছে না। ৩২ হাজার শিক্ষক প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নোতি পাওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। তাহলে অনেক নতুন পদ সৃষ্টি হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন