বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • নারী ও শিশুর সুরক্ষায় ইউনিসেফের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার ইসরায়েলে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন চান বিরোধী নেতা গোলান ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ ঘিরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে উত্তেজনা
  • বরিশালের কামারপট্টিতে ঈদের ব্যস্ততা, বাড়ছে দা-বঁটি-ছুরির চাহিদা

    বরিশালের কামারপট্টিতে ঈদের ব্যস্ততা, বাড়ছে দা-বঁটি-ছুরির চাহিদা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে বরিশালের কামারপট্টিগুলোতে বেড়েছে ব্যস্ততা। ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত টুংটাং হাতুড়ির শব্দে মুখর শহরের কামারপাড়া ও গ্রামাঞ্চলের ছোট ছোট কামার দোকানগুলো। দাউদাউ আগুনে লোহা গলিয়ে তৈরি হচ্ছে কোরবানির অপরিহার্য সরঞ্জাম— দা, বঁটি, ছুরি ও চাপাতি।

    বরিশাল নগরী ছাড়াও সদর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে বসেছে অস্থায়ী কামার দোকান। ঈদ উপলক্ষে বাজারে এসব সরঞ্জামের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিক্রেতারা পসরা সাজিয়ে বসেছেন। ক্রেতারাও দলে দলে ছুটে আসছেন প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে।

    সদর উপজেলার কামার স্যামল বলেন, “স্থানীয় চাহিদা তো রয়েছেই, পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা এসে অর্ডার দিচ্ছেন। এবার ঈদে চাহিদা অনেক বেশি।”

    আরেক কামার সিমুল বলেন, “বছরজুড়ে কাজ কম থাকে, কিন্তু কোরবানির ঈদের আগে প্রচুর অর্ডার পাই। ঈদের বিক্রিই আমাদের বছরের বেশ কয়েক মাসের জীবিকা নিশ্চিত করে।”

    দামের দিক থেকে জানা যায়, বর্তমানে ছোট ছুরি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ২৫০ টাকা, বড় ছুরি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা, দা ২৫০ থেকে ৬৫০ টাকা, বড় বঁটি ৩০০ থেকে ৮০০ টাকা, জবাইয়ের ছুরি ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা এবং বড় চাপাতি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

    শহরের বিভিন্ন কামারপট্টিতে গিয়ে দেখা গেছে, কেউ তৈরি করছেন নতুন সরঞ্জাম, কেউ পুরোনো ছুরি-বঁটি শান দিচ্ছেন। কারিগরদের কপাল বেয়ে ঝরছে ঘাম, চোখে-মুখে ক্লান্তি থাকলেও নেই কোনো বিরতি।

    একজন ক্রেতা বলেন, “প্রতিবার ঈদের আগে এখান থেকেই দা-ছুরি কিনি। এবার দাম কিছুটা বেশি হলেও মান ভালো হওয়ায় কিনে নিচ্ছি।”

    কোরবানির ঈদে পশু জবাইয়ের জন্য ধারালো সরঞ্জাম আবশ্যক হওয়ায় এ সময়ে কামারদের কর্মচাঞ্চল্যতা ঈদের প্রস্তুতির অপরিহার্য অংশ হয়ে ওঠে। ঈদের দিন পর্যন্ত এ ব্যস্ততা অব্যাহত থাকবে বলে জানালেন কামারপট্টির কর্মীরা।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন