রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • বাবুপুরে শিশু-কিশোরদের মাঠের জন্য আরও ৬০ শতাংশ জমি কিনছে সরকার সরকার পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক পথ নির্বাচন, আন্দোলন নয়: চিফ হুইপ মিরপুরে ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, ভাঙচুর এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের এক মাসের মধ্যে সম্পূরক পরীক্ষার সুযোগ ১ জানুয়ারি চালু হচ্ছে সাভারের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট হিন্দুদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের দাবিতে কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন ঘেরাওয়ের চেষ্টা মুক্তির আগেই বিদেশি স্বত্ব বিক্রি করে ১৭৫ কোটি রুপি পেল শাহরুখের ‘কিং’ চাকরি থেকে বরখাস্ত ডিএমপির সাবেক অতিরিক্ত কমিশনার হারুন রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে ৫৩৮ জন গ্রেপ্তার, ২৯ মামলা পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে বদলি, দায়িত্ব ছাড়তে হবে ১ নভেম্বরের মধ্যে
  • মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে গুমের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে: তারেক রহমান

    মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে গুমের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে: তারেক রহমান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, মানবাধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুমের মতো অমানবিক কর্মকাণ্ড বন্ধ করা জরুরি।

    আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষে সোমবার (২৬ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এ সপ্তাহটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শ বা ভিন্নমতের কারণে কাউকে গুম করা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। এ ধরনের অপকর্মের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

    তারেক রহমান বলেন, প্রতি বছরের মতো এবছরও মে মাসের শেষ সপ্তাহে গুম সপ্তাহ পালিত হচ্ছে। গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে এ আন্তর্জাতিক সপ্তাহ। ২০০৯ থেকে ২০২৪ এর মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে প্রায় ৬৬৬ জন ব্যক্তি গুম হয়েছেন। আমাদের হিসেবে উল্লিখিত গুমের সংখ্যা আরও কয়েকগুণ বেশি হবে। এদের মধ্যে অধিকাংশ এখনও নিখোঁজ, অনেকেরই মৃতদেহ পাওয়া গেছে আবার অনেকদিন পর কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এটি বিগত আওয়ামী শাসনামলের একটি বর্বর দুঃশাসনের নমুনা। উল্লিখিত সংখ্যা গুম হয়ে যাওয়া পরিবার কর্তৃক প্রদত্ত রিপোর্ট এর ভিত্তিতে, আর অনেক আতঙ্কিত পরিবারই রিপোর্ট করার সাহস পায়নি।

    তারেক রহমান বিবৃতিতে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেওয়া ব্যক্তিদের ১০/১৫ বছরেও কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের গুমের ঘটনাগুলোর সবচেয়ে বেশি শিকার হয়েছেন বিরোধী দলীয় রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মী ও সমর্থকবৃন্দ। 

    এছাড়াও গুমের শিকার হয়েছেন দেশের ব্যবসায়ী, বুদ্ধিজীবী এবং সাধারণ মানুষও। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের রোম আইন অনুযায়ী- কোনো ব্যক্তিকে গুম করা একটি মানবাধিকারবিরোধী অপরাধ। মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে গুমের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। গুম হয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক সপ্তাহে আমি এই গুম হওয়া মানুষদের অসহায় পরিবারের সাথে সংহতি প্রকাশ করছি। আর কোনো ব্যক্তি যাতে গুমের শিকার না হয় সেজন্য রাষ্ট্রকে জোরালো ভূমিকা রাখার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি। আর যেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের মতো অমানবিক ঘটনা না ঘটে সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন