বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশের জিডিপি ছাড়াবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার: প্রধানমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ: জামায়াত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে নিরাপত্তায় এসআরবি-১৩-এর বিশেষ প্রস্তুতি নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী পাঠানোর আশা সরকারের রোগীদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গড়বে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছেলেকে বাঁচাতে নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা, অর্থাভাবে অনিশ্চিত রাকিবের জীবন ফেসবুক লাইভে বিএনপি সরকার নিয়ে মন্তব্য, জামিন পেলেন সেই সাথী আক্তার সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ ঘিরে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে উত্তেজনা আইসিটি, অটোমোবাইল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জাপানি বিনিয়োগ চায় বাংলাদেশ কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে বহিষ্কার ৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি
  • পিরোজপুরে রাজনৈতিক সহিংসতা:

    কৃষক লীগ নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    কৃষক লীগ নেতাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    পিরোজপুরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নির্বাচনী সহিংসতার অভিযোগে জেলা কৃষক লীগের সভাপতি চান মিয়া মাঝিসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, বাড়িঘর ভাঙচুর, চাঁদাবাজি ও চুরির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    ঘটনার অভিযোগকারী বিএনপি নেতা মো. জহিরুল ইসলাম কলিম জানান, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে প্রচারে অংশ নিতে তিনি ঢাকা থেকে পিরোজপুরের নিজ বাড়িতে গেলে হামলার শিকার হন।

    তার দাবি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জেলা কৃষক লীগ সভাপতি চান মিয়া মাঝির নেতৃত্বে ২০-২৫ জন সশস্ত্র ব্যক্তি তার গাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা গাড়ি ভাঙচুর করে এবং তাতে থাকা ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট-পোস্টার ছিনিয়ে নিয়ে খালে ফেলে দেয়। তারা তাকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে এবং কয়েক রাউন্ড গুলিও ছোড়ে।

    পরদিন, ২৯ ডিসেম্বর বিকেল ৫টার দিকে আরও বড় আকারে দ্বিতীয় দফা হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ৫০-৬০ জন হামলাকারী অস্ত্র, বোমা, কুড়াল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাড়িতে ব্যাপক গুলি ও বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ঘরে প্রবেশ করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

    আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—চান মিয়া মাঝি, নাসির উদ্দিন হাওলাদার, মুরাদ হোসেন মাঝি, হারুনুর রশিদ বাদশা, মাসুদ মাঝি, রশিদ শাহরিয়ার রেশাদ মাঝি, লোকমান হাওলাদার, মহিউদ্দিন হাওলাদার ঝন্টু, সামশুদ্দিন কালু, ও সাখাওয়াত হোসেন মল্লিকসহ অজ্ঞাত আরও ২৫-৩০ জন।

    অভিযোগে বলা হয়, হামলাকারীরা জহিরুল ইসলাম কলিমের স্ত্রী ও মায়ের গয়নাগাটি, মোবাইল ফোন লুট করে এবং ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে তাকে হত্যা ও সন্তানকে অপহরণের হুমকিও দেওয়া হয়। এই ঘটনার পর নিরাপত্তার কারণে তিনি ২০২১ সালে পরিবার নিয়ে গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন।

    সাত বছর পর, ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল পিরোজপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন জহিরুল ইসলাম কলিম। মামলার নম্বর ০৪/৬২, ধারা ৩৪১/৩০৭/৪২৭/৩৮০/৩৮৫/৫০৬ পেনাল কোড অনুযায়ী মামলা গ্রহণ করা হয়েছে।

    এই বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা যায়নি। তবে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন