শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পানির বোতল কত দিন পরপর পরিষ্কার করবেন? রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার পর ১৪১ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ২১ হাজার যাত্রী সৌদিতে কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের তথ্য যাচাই চলছে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে কম সরকারি ঋণের অনুপাত বাংলাদেশের মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার জন্য ইসরায়েলি দখলদারিত্ব দায়ী: চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শফিকুর রহমানের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের তদন্তে অগ্রগতি নেই, ডিভাইস চায় ডিবি তরুণদের মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি তারেক রহমানের জাপান সফরে ৪টির বেশি সমঝোতা স্মারক সইয়ের আশা ডিপ্লোমা শিক্ষায় সংকট নিরসনে সরকারের উদ্যোগ নেই: ছাত্রশিবির সভাপতি মগবাজারে আসিফ আকবরের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি
  • দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে কম সরকারি ঋণের অনুপাত বাংলাদেশের

    দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে কম সরকারি ঋণের অনুপাত বাংলাদেশের
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে সরকারি ঋণের হিসাবে দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ২০২৬ সালের প্রাক্কলন অনুযায়ী, বাংলাদেশের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৪০ শতাংশ হতে পারে। বিপরীতে, প্রতিবেশী কয়েকটি দেশের ঋণের অনুপাত ৭০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৬ সালে ভারতের সরকারি ঋণ জিডিপির প্রায় ৮৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ৭০ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার ৯৫ শতাংশ, মালদ্বীপের ১৩১ শতাংশ এবং ভুটানের ১১৬ শতাংশ হতে পারে। নেপালের ক্ষেত্রে এ হার প্রায় ৪৯ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

    এই হিসাব অনুযায়ী, জিডিপির অনুপাতে বাংলাদেশের সরকারি ঋণ ভারতের অর্ধেকেরও কম। পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায়ও বাংলাদেশের ঋণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কম। অন্যদিকে, মালদ্বীপ ও ভুটানের সরকারি ঋণ তাদের বার্ষিক অর্থনৈতিক উৎপাদনের আকারকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

    অর্থনীতির আকারের তুলনায় ঋণের এই পার্থক্য বাংলাদেশের তুলনামূলক কম ঋণের অবস্থান তুলে ধরে। তবে জিডিপির অনুপাতে ঋণ কম থাকলেই সরকারি অর্থব্যবস্থা পুরোপুরি ঝুঁকিমুক্ত—এমন নয়। ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের ব্যয়, সরকারের রাজস্ব আয় এবং ঋণের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলোও আর্থিক সক্ষমতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

    জিডিপির তুলনায় সরকারি ঋণের অনুপাত কম থাকলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো ও অন্যান্য উন্নয়ন খাতে ব্যয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে সরকারের নীতিগত নমনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ থাকতে পারে। তবে এ সুযোগ কাজে লাগাতে ঋণ গ্রহণে টেকসই নীতি অনুসরণ, সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঋণের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    বাংলাদেশের তুলনামূলক অবস্থান ধরে রাখতে রাজস্ব আহরণ বাড়ানো, সরকারি ব্যয়ের কার্যকারিতা নিশ্চিত করা এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগ সম্প্রসারণ গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে নতুন ঋণ থেকে পর্যাপ্ত অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুফল পাওয়া এবং ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখাও জরুরি।

    দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো মূল্যস্ফীতি, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও উন্নয়ন চাহিদা পূরণের চাপে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য ঋণ ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা বজায় রাখার পাশাপাশি সীমিত সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

    সূত্র: বাসস


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন