বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

তরুণদের মানবসম্পদে রূপান্তরেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি: রাষ্ট্রপতি

তরুণদের মানবসম্পদে রূপান্তরেই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি: রাষ্ট্রপতি
ছবি: সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তরুণ প্রজন্ম। তাদের শিক্ষা, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করে জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করা গেলে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে।

শুক্রবার (১১ জুলাই) দেওয়া বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশই তরুণ, যা বাংলাদেশের জন্য এক বিশাল সম্ভাবনা। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলে নতুন প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের পাশাপাশি দেশের টেকসই উন্নয়নও নিশ্চিত হবে।

তিনি বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ অত্যন্ত সময়োপযোগী। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো তরুণদের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উন্নয়নের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।

রাষ্ট্রপতি জানান, বর্তমান সরকার যুবসমাজকে সুশিক্ষিত, দক্ষ, স্বাবলম্বী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী করার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং উদ্ভাবনী সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মাদক, বাল্যবিবাহ, সহিংসতা ও অন্যান্য সামাজিক অবক্ষয় রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং আইনের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এসব উদ্যোগ তরুণদের জীবনমান উন্নয়ন এবং দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সুস্থ ও কর্মক্ষম জাতি গঠনের জন্য পরিকল্পিত পরিবার, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমের বিকল্প নেই। বিশেষ করে মা ও শিশু স্বাস্থ্য, প্রজনন স্বাস্থ্য এবং কৈশোরকালীন স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর ও সবার জন্য সহজলভ্য করতে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, তরুণদের উন্নয়নে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি সংস্থা ও সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যমান স্বাস্থ্য অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে মানসম্মত পরিবার পরিকল্পনা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।

সবশেষে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন