বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj

মানবাধিকারের প্রশ্নে কোন ছাড় নয়: প্রধান উপদেষ্টা

মানবাধিকারের প্রশ্নে কোন ছাড় নয়: প্রধান উপদেষ্টা
ছবি- সংগৃহীত
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র এবং জাতিসংঘ সনদে সন্নিবেশিত সব মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

আজ বুধবার (১০ ডিসেম্বর, ২০২৫) বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

ড. ইউনূস তার বাণীতে বলেন, বর্তমান সরকার মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

বাণীতে তিনি বলেন, এ বছর ‘মানবাধিকার, আমাদের নিত্যদিনের অপরিহার্য’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালিত হচ্ছে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশে তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রায় দেড় বছর পর আমরা এবারের মানবাধিকার দিবস উদযাপন করছি। চব্বিশের জুলাইয়ে এদেশের সর্বস্তরের জনগণ নিপীড়ন ও স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনকে পরাজিত করে। নিশ্চিত হয় জনগণের অধিকার ও মর্যাদা। অশান্ত পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই একটি ‘নতুন বাংলাদেশ’ আত্মপ্রকাশ করে।

বাণীতে তিনি আরও বলেন, আমরা এখন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে একটি গণতান্ত্রিক, অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছি, যেন ন্যায়ভিত্তিক ও সমতাপূর্ণ সমাজ গঠন এবং আমাদের গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার পথ নির্ধারণ করা যায়। এরইমধ্যে জনগণের বিপুল সমর্থনের ভিত্তিতে, সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, বাংলাদেশ-এর রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় করেছি। যেখানে পতিত স্বৈরাচারী সরকারের সদস্যদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আজ আমরা গর্বের সঙ্গে এমন একটি জাতি হিসেবে দাঁড়িয়ে আছি যারা মানবাধিকার সংক্রান্ত জাতিসংঘের নয়টি মূল আন্তর্জাতিক চুক্তির সবগুলোতে যোগ দিয়েছে। যার সর্বশেষটি হলো গুমবিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর দ্য প্রোটেকশন অব অল পারসন্স ফ্রম এনফোর্সড ডিসেপিয়ারেন্স’। আমরা একইসঙ্গে নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনের ঐচ্ছিক প্রটোকল এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার সব মূল কনভেনশনেও সই করেছি, যা
আমাদের শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে বলে তিনি বাণীতে উল্লেখ করেন।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

সর্বশেষ

আরও পড়ুন