লাল কার্ড-ড্রামায় আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে আলোচনায় ইকুয়েডর

লাতিন আমেরিকা অঞ্চল থেকে ২০১৬ বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করা প্রথম দল ছিল আর্জেন্টিনা। শুরু থেকেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে শীর্ষে অবস্থান করছিল দলটি। তবে ইকুয়েডরের বিপক্ষে ম্যাচে নামতে হলো তারকাখচিত আর্জেন্টিনাকে লিওনেল মেসিকে ছাড়াই।
১০ সেপ্টেম্বর (বুধবার) ইকুয়েডরের রাজধানী কুইটোতে অবস্থিত এস্টাডিও বাঙ্কো পিচিঞ্চায় অনুষ্ঠিত হয় ম্যাচটি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের ১৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন স্বাগতিক দলের তারকা ফরোয়ার্ড এনার ভ্যালেন্সিয়া। সেই একমাত্র গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
বাকি সময়ে গোল শোধ করতে মরিয়া চেষ্টা চালালেও আর্জেন্টিনা ব্যর্থ হয়। শক্তিশালী আক্রমণভাগ থাকা সত্ত্বেও মেসির অনুপস্থিতি বেশ অনুভূত হয় দলটির খেলায়। ফলে ১-০ গোলের ব্যবধানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।
এই হার সত্ত্বেও পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকায় আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ যাত্রায় বড় কোনো প্রভাব পড়েনি। তবে ম্যাচ শেষে কোচ ও খেলোয়াড়রা স্বীকার করেন, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মেসিকে ছাড়া খেলাটা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ।
ম্যাচটি শুরু থেকেই শারীরিক লড়াইয়ে পরিণত হয় এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আনতে রেফারি দুই দলকেই বেশ কয়েকটি কার্ড দেখাতে বাধ্য হয়। মোট ৬টি হলুদ কার্ড এবং দুটি লাল কার্ড দেখেছেন দুই দলের খেলোয়াড়রা। আর্জেন্টিনার নিকোলাস ওতামেন্দি এবং ইকুয়েডরের মইসেস কেইসেদো লাল কার্ড দেখেন।
৩১ মিনিটে আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। দ্বিতীয়ার্ধে ইকুয়েডরের চেলসি মিডফিল্ডার কেইসেদোও লাল কার্ড দেখলে কিছুটা ভারসাম্য ফিরে আসে, কিন্তু আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফিরতে পারেনি।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনা শুরুর একাদশে বেশ কিছু পরিবর্তন নিয়ে নেমেছিল। মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ এবং ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ছিলেন না একাদশে। আর্জেন্টিনা ১৮ ম্যাচে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকেই বাছাইপর্ব শেষ করেছে। ইকুয়েডর ২৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে এবং কলম্বিয়া ২৮ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে।