দ্রুততম মানবী সুমাইয়া, শিরিনের চ্যালেঞ্জে উত্তেজনা তুঙ্গে

ছেলেদের ১০০ মিটার স্প্রিন্টে অন্য প্রতিযোগীদের তুলনায় বিশাল ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেন নৌবাহিনীর ইমরানুর রহমান। তবে মেয়েদের ১০০ মিটারের দৌড় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র রচনা করে। ফিনিশ লাইন স্পর্শের পরই বিভ্রান্তি তৈরি হয়—দৌড়ের চূড়ান্ত ফলাফল জানতে ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করতে হয়। সুমাইয়া দেওয়ান দাবি করেন, তিনিই প্রথম ফিনিশ করেছেন। এই সময় ট্র্যাকে পড়ে যান নৌবাহিনীর এক অ্যাথলেট। আলোচনার মধ্যেই সুমাইয়ার মাথায় উঠে আসছিল দ্রুততম মানবীর মুকুট। অন্যদিকে শিরিন আক্তারের মুখে দেখা যায় হতাশার ছাপ। চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য বিচারকদের কাছে চ্যালেঞ্জ জানাতে এগিয়ে আসেন শিরিন।
এক ফটোসাংবাদিক যখন সুমাইয়ার ছবি তুলতে যাচ্ছিলেন, তখন শিরিন বলে ওঠেন, ‘এখন পর্যন্ত তো ফল ঘোষণা হয়নি, ছবি তুলছেন কেন।’ আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণায় ঠিকই প্রথম হন সুমাইয়া আক্তার। ১২.১৯ সেকেন্ড টাইমিং নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো পেয়েছেন দ্রুততম মানবীর খেতাব। ১৬ বার জাতীয় পর্যায়ে ১০০ মিটার জেতা শিরিন জানালেন তিনি চ্যালেঞ্জ করবেন। ইলেকট্রনিক টাইমিংয়ে ১২.২১ সেকেন্ড নিয়ে দৌড় শেষ করেন নৌবাহিনীর এই অ্যাথলেট। সেনাবাহিনীর শরিফা খাতুন ১২.৪১ সেকেন্ড নিয়ে হয়েছেন তৃতীয়।
এর আগে ২০২১ সালে শিরিনকে হারিয়ে প্রথম হয়েছিলেন সুমাইয়া। আজ জাতীয় স্টেডিয়ামে ইভেন্ট শেষ হওয়ার পর উচ্ছ্বসিত এই অ্যাথলেট বলেন, ‘পড়ে যাওয়ার পর আমি ধরে নিয়েছিলাম আমি প্রথম। যদি ফল অন্য রকম হতো, আমি চ্যালেঞ্জ করতাম।’
চ্যালেঞ্জ আপাতত শিরিনকেই করতে হচ্ছে, ‘আমি এই ফল মানি না। আমি চ্যালেঞ্জ করব।’