‘রাষ্ট্রপতিকে সরাতে ১৫৮ দিন কেন?’—প্রশ্ন তুলল এবি পার্টি

রাষ্ট্রপতি পদ থেকে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে এবি পার্টি। দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, জুলাই আন্দোলনের অংশীদারদের ঐকমত্যের ভিত্তিতে অনেক আগেই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে তাকে অপসারণ বা পদত্যাগ করানো উচিত ছিল।
বিবৃতিতে নেতারা অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে শুরু থেকেই বিএনপি সম্মত ছিল না এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তহীনতাও পরিস্থিতিকে দীর্ঘায়িত করেছে। তাদের দাবি, সাংবিধানিক শূন্যতা ও রাষ্ট্রপতির অধীনে শপথের বিষয়টি সামনে এনে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব করা হয়েছে।
এবি পার্টির নেতারা আরও বলেন, জাতীয় সংসদে জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য এবং তাকে অপসারণে সংসদীয় উদ্যোগ না নেওয়ায় পুরো বিষয়টি বিতর্কিত হয়ে ওঠে। তাদের মতে, সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকা সত্ত্বেও রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়নি।
যৌথ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের সময় স্বল্প সময়ের মধ্যেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব হলেও রাষ্ট্রপতির অপসারণে দীর্ঘ সময় লেগেছে, যা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
এবি পার্টি নেতারা রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত দুর্নীতি, ব্যাংকের অর্থ লুটপাট ও অর্থ পাচারের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।