বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সাংবাদিক এইচ আর শফিক গ্রেফতার, মুক্তির দাবিতে নিন্দার ঝড় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে বিএনপিকে চরম মূল্য দিতে হবে: সারজিস বাজুসের নতুন মূল্যতালিকা, সোনা-রুপার গহনার দাম বাড়ল সিজেপির আন্দোলনে অচল দিল্লি, বন্ধ ১৬ মেট্রো স্টেশন থার্ড টার্মিনালের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে ভিডিও ইস্যুতে উত্তাল শ্যামনগর, এমপি নজরুলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বাংলাদেশ-চীন বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, করিডোর ও বিনিয়োগে গুরুত্ব ইউপি চেয়ারম্যান পদে স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে হাইকোর্টের রুল জিম্বাবুয়ে সফর শেষে দেশে ফিরল বাংলাদেশ, এবার লক্ষ্য অস্ট্রেলিয়া সৌদির সঙ্গে ৩০ বছরের পরমাণু চুক্তিতে ট্রাম্পের অনুমোদন
  • শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ, ঐক্যের বার্তায় কী থাকছে?

    শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ, ঐক্যের বার্তায় কী থাকছে?
    ছবি: সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সম্মানে সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় নৈশভোজের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়; বরং শরিকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে আস্থার বার্তা দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।

    রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শরিক দলের নেতাদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আগামী দিনের রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জোটের ঐক্য আরও শক্তিশালী করতে সরকারপ্রধান শরিকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করতে চান।

    তবে এ আয়োজনে অংশ নিচ্ছে না বিএনপির দীর্ঘদিনের দুই মিত্র—জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এবং আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)। দল দুটির নেতাদের দাবি, নির্বাচনী সমঝোতা ও সরকার গঠনের পর প্রত্যাশিত মূল্যায়ন না পাওয়ায় তারা নৈশভোজে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    জোটসংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন, সরকার গঠনের পাঁচ মাস পার হলেও শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বৈঠক হয়নি। এতে অনেকের মধ্যে দূরত্ব ও অভিমান তৈরি হয়েছে। সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক সমন্বয় জোরদার করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, শরিকদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুসংহত করা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকৌশলে তাদের সম্পৃক্ত রাখাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

    বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, সরকার গঠনের পর এই প্রথম শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক বৈঠক হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে জোটের অভ্যন্তরীণ দূরত্ব কমবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে বিএনপির সঙ্গে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, ১২ দলীয় জোট, গণতন্ত্র মঞ্চ, গণঅধিকার পরিষদ, এনডিএম, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টিসহ একাধিক রাজনৈতিক দল সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিল। তবে নির্বাচনের আগে ও পরে কয়েকটি দল জোট থেকে সরে যায় এবং বর্তমানে রাজনৈতিক অবস্থানেও কিছু পরিবর্তন এসেছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন