শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মিরাজ-তাইজুলের ঘূর্ণিতে চাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, এগিয়ে বাংলাদেশ উড্ডয়নের আগে প্রধানমন্ত্রীর ফ্লাইটে ত্রুটি, ঢাকায় ফিরতে বিলম্ব শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের এমডি হলেন অভিনেতা শিবা শানু ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৮৬ জন তাহসিফের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্তের আগে মন্তব্য নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহাদেবপুরে গ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পরিদর্শনে ডিডিএলজি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হাম ও উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ৭ মৃত্যু, নতুন রোগী ১,৩১৫ কর্মসংস্থান ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ-মালদ্বীপ ৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব পাঠ্যবই সরবরাহের নির্দেশ
  • ইফতারে শরবতে চিনি নাকি গুড় ব্যবহার করবেন?

    ইফতারে শরবতে চিনি নাকি গুড় ব্যবহার করবেন?
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    রমজান মাসে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের শরবত পান করার অভ্যাস রয়েছে অনেকের। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই শরবত তৈরি করা হয় সাদা চিনি দিয়ে। এছাড়া বিভিন্ন মিষ্টান্ন ও ডেজার্ট তৈরিতেও সাদা চিনির ব্যবহার খুবই সাধারণ।

    তবে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের মধ্যে অনেক দিন ধরেই একটি প্রশ্ন ঘুরছে—ইফতারের শরবতে চিনি ব্যবহার করা ভালো, নাকি গুড়? কোনটি শরীরের জন্য বেশি নিরাপদ?

    সাদা চিনি মূলত শরীরে শুধু ক্যালরি সরবরাহ করে। এতে উল্লেখযোগ্য কোনো ভিটামিন বা খনিজ উপাদান থাকে না। প্রতি এক চা চামচ সাদা চিনি থেকে প্রায় ২০ কিলোক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।

    অতিরিক্ত সাদা চিনি গ্রহণ করলে ইনসুলিন প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে। এছাড়া পিসিওএস, বন্ধ্যাত্ব, ডায়াবেটিস, অতিরিক্ত ওজনসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

    চিনির বিকল্প হিসেবে আখের গুড় বা খেজুরের গুড় তুলনামূলক ভালো হতে পারে। গুড়ে সামান্য পরিমাণ আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং কিছু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। তাই পুষ্টিগুণের দিক থেকে এটি চিনির চেয়ে কিছুটা উপকারী।

    গুড়ও মূলত এক ধরনের চিনিজাতীয় খাদ্য। ফলে এটি অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়াও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। কারণ গুড়ের গ্লাইসেমিক প্রভাবও তুলনামূলক বেশি।

    আখের গুড়, খেজুরের গুড় ও তালের গুড় তুলনামূলক ভালো। তবে বাজারে অনেক সময় গুড় তৈরির সময় বা বাজারজাত করার সময় ভেজাল উপাদান মেশানো হতে পারে। তাই গুড় কেনার সময় সতর্ক থাকতে হবে, যাতে ভেজাল বা রাসায়নিকমিশ্রিত পণ্য না কেনা হয়।

    তার মতে, খেজুরের গুড় সাধারণত কম প্রক্রিয়াজাত করা হয় এবং এতে কিছু খনিজ উপাদান তুলনামূলক বেশি থাকে। তবে সেটিও অবশ্যই খাঁটি ও ভেজালমুক্ত হওয়া জরুরি।

    স্বাস্থ্যকর বিকল্প কী হতে পারে?

    রমজানে ইফতারের সময় অতিরিক্ত চিনি বা গুড় দিয়ে তৈরি শরবত না খেয়ে অন্য স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নেওয়া ভালো। মিষ্টি স্বাদের জন্য খেজুর ব্যবহার করা যেতে পারে।

    এছাড়া লেবু পানি, পাতলা ফলের রস, টক দই বা দইয়ের শরবত, ডাবের পানি কিংবা স্যালাইনও শরীরের জন্য ভালো বিকল্প হতে পারে। এমনকি প্রাকৃতিক মিষ্টি হিসেবে স্টেভিয়া পাতাও ব্যবহার করা যেতে পারে, যদিও এতে স্বাদে কিছুটা ভিন্নতা অনুভূত হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, রমজানে সুস্থ থাকতে হলে খাবারে ভারসাম্য বজায় রাখা এবং অতিরিক্ত মিষ্টি এড়িয়ে চলাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন