মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পছন্দের পদায়ন ও বদলি বাণিজ্যে মাইকেল মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্তরায় নারী উদ্যোক্তার রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সস্তা বাহবা নিতে আইজিপির বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে: রিজভী বিজয়নগরে  নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, চাচাতো ভাই আটক ডেঙ্গু-হামের প্রকোপে উদ্বেগ, ২৪ ঘণ্টায় ১৭ মৃত্যু ও হাসপাতালে ৩,৩৬৬ জন আশরাফুলের বিদায়ে দলে বড় প্রভাব পড়বে না, মনে করেন শান্ত উইন্ডোজ ১১ থেকেই চালান স্মার্টফোন, যেভাবে চালু করবেন ফোন লিংক পিছিয়ে গেল এইচএসসির ফল প্রকাশ, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ঢাকা-চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন এলিজা জামান
  • ৭০ ছুঁই ছুঁই তবুও থেমে নেই বৃদ্ধ হাবিবুরের জীবনযুদ্ধ

    ৭০ ছুঁই ছুঁই তবুও থেমে নেই বৃদ্ধ হাবিবুরের জীবনযুদ্ধ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বয়সের ছাপ শরীরে স্পষ্ট হাবিবুর রহমানের। ৭০ ছুঁই ছুঁই বয়সের ভার নিয়েও থেমে নেই তার জীবন সংগ্রাম। যে বয়সে থাকার কথা বিশ্রামে, সেই বয়সে সূর্য ওঠার সঙ্গে তাকেও বের হতে হয় জীবিকার তাগিদে। অভাব যে তাকে থামতেই দিচ্ছে না।দীর্ঘ ৪ যুগ ধরে গাছ ছাঁটাই করেই কোনো মতো চলছে তার সংসার। 

    কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের মধ্য ফেকামারা বড়-বাড়ি গ্রামের বৃদ্ধ হাবিবুর রহমান হাবু। গাছ ছাঁটানোর মতো ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। তবুও কখনো হাত পাতেননি কারো কাছে।বুকে চাপা দুঃখকে সঙ্গী করে এমন কঠিন কাজ করেই চলেছেন তিনি।  

    এলাকাবাসীরা জানান, প্রতিদিন সকালে একটি বাইসাইকেল নিয়ে কাজের খুঁজে বের হন তিনি। কোনোদিন কাজ মিলে আবার কখনো কাজ না পেয়ে মলিন মুখেই বাড়ি ফিরে আসতে হয়। এভাবেই দীর্ঘ চার যুগের বেশি সময় ধরে চলছে তার গাছ ছাঁটানোর কাজ। হাবিবুরের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। ছেলেরা আলাদা থাকেন। ভবঘুরে স্বভাবের ছেলেরা তাদের পিতার খোঁজ নেন না। দুই মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে থাকেন বৃদ্ধ হাবিবুর। কিছুদিন আগে এক মেয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত হয়। চিকিৎসার পেছনে জমানো সব পুঁজি শেষ করেও ভালো করতে পারছেন না। এলাকার মানুষ এমন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে নিষেধ করলেও এই কাজ ছাড়া তো উপার্জন বন্ধ হবে। তাই পেটের দায়ে এই কাজই করতে হচ্ছে তাকে। 

    বৃদ্ধ হাবিবুর রহমান হাবু বলেন, এই বয়সেও আমি সরকারি বয়স্ক ভাতাসহ কোনোরকম সুবিধা পাচ্ছি না। মেম্বারের পেছনে ঘুরেও কাজ হয় না। শেষ বয়সে ইচ্ছে হয় একটু আরাম করতে। কিন্তু পুঁজি ছাড়া তো কোনো কিছু করাও সম্ভব নয়। 

    তিনি বলেন, একটি দোকান আর কিছু পুঁজি পেলে শেষ সময়টা বসে কাটাতে পারতাম। এখন শরীর আর কুলোয় না। যেকোনো সময় অঘটন ঘটতে পারে, তবুও নিরুপায় হয়ে কাজ করি।

    জালালপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, শিগগিরই এই সংগ্রামী বৃদ্ধকে বয়স্ক ভাতার আওতায় নিয়ে আসব। এ ছাড়াও আমার পরিষদের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহায়তা করা হবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন