বেসরকারি হাসপাতালে প্রথম বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট অনুমোদন

দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় একটি নতুন মাইলফলক অর্জিত হয়েছে। প্রথমবারের মতো কোনো বেসরকারি হাসপাতাল হিসেবে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট (বিএমটি) বা অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন পরিচালনার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছে আজগর আলী হাসপাতাল।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তকে দেশের জটিল চিকিৎসা ব্যবস্থায় যুগান্তকারী অগ্রগতি হিসেবে দেখছে।
আজ (বুধবার) মন্ত্রণালয়ের উপপ্রধান তথ্য অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই অনুমতির ফলে এখন থেকে দেশের ভেতরেই উন্নতমানের বিএমটি চিকিৎসা সম্ভব হবে এবং অনেক রোগীর বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন কমবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকার গেন্ডারিয়ায় অবস্থিত আজগর আলী হাসপাতালকে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম তার অফিস কক্ষে অনুমতিপত্রটি তুলে দেন। হাসপাতালের পক্ষে এটি গ্রহণ করেন সিইও ও পরিচালক প্রফেসর ডা. জাবরুল এসএম হক।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে এটাই প্রথম কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন।
১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে এই অনুমতিপত্র কার্যকর হয়েছে, যা এক বছরের জন্য বৈধ থাকবে। প্রতি বছর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী অনুমতিপত্র নবায়ন করতে হবে।
স্বাস্থ্যখাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি খাতের বাইরে বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের সুযোগ বাড়লে রোগীরা চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা কমবে এবং দেশে জটিল রোগ ব্যবস্থাপনায় নতুন অধ্যায় সূচিত হবে।