সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • রায়ের বিরুদ্ধে হরতাল-ধর্মঘট সংবিধানবিরোধী: হাইকোর্ট মেধা দিয়ে দেশ গড়তে হবে, বিদেশে গেলেও দেশের কথা ভাবতে হবে: ফরিদা খানম কারিগরি ত্রুটিতে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট বন্ধ ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১,৫৬১ ‘আমাকে শুধু টাকা আয়ের মাধ্যম হিসেবে দেখেছে’, পরিবার নিয়ে পপির ক্ষোভ এআই মডেলের উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান অ্যানথ্রোপিক সিইওর আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ দুই মাসে বেনাপোলে সাড়ে ৩ লাখ কেজি ইলিশ আমদানি সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই: আইজিপি বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন
  • কিডনি রোগীদের জন্য গরুর মাংস কতটা নিরাপদ?

    কিডনি রোগীদের জন্য গরুর মাংস কতটা নিরাপদ?
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    কিডনি রোগীদের গরুর মাংস খাওয়ার সময় সতর্ক থাকা জরুরি। এতে উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন, ফসফরাস ও পটাশিয়াম থাকে, যা কিডনি রোগীদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

    কিডনি রোগীদের জন্য গরুর মাংস সম্পর্কিত নির্দেশনা-
     
    ১. কখন ও কতটুকু খাওয়া যেতে পারে (মৃদু ক্ষেত্রে): যদি কিডনি রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে থাকে (স্টেজ ১ বা ২) এবং আপনার রক্তের প্রোটিন/ক্রিয়েটিনিন লেভেল এখনও নিয়ন্ত্রণে থাকে, তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অল্প পরিমাণে (৫০–৭৫ গ্রাম, সপ্তাহে ১–২ বার) গরুর মাংস খাওয়া যেতে পারে। অবশ্যই চর্বিমুক্ত এবং ভালোভাবে রান্না করা মাংস বেছে নিতে হবে।
     
    ২. যদি কিডনি রোগ মাঝারি বা গুরুতর পর্যায়ে (স্টেজ ৩-৫): এই পর্যায়ে উচ্চ প্রোটিন খাবার কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ ফেলে। গরুর মাংস সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলা উত্তম কারণ এটি- রক্তে ইউরিয়া এবং ক্রিয়েটিনিন বাড়ায়। ফসফরাস ও পটাশিয়াম বাড়িয়ে হৃদযন্ত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে। প্রোটিন মেটাবোলিজমের টক্সিন কিডনি নিঃসরণ করতে পারে না।
     
    বিকল্প কী হতে পারে?
    ১. কম প্রোটিনযুক্ত প্রোটিনের উৎস: ডাল, মুগ ডাল, চিঁড়া, ডিমের সাদা অংশ।
    ২. প্লান্ট-বেসড প্রোটিন (ডাক্তারের অনুমোদন সাপেক্ষে)।
    ৩. মাছ ও মুরগির মাংস — কখনও কখনও সীমিত পরিমাণে গ্রহণযোগ্য হতে পারে, চিকিৎসকের নির্দেশে।

    পরামর্শ-
    কিডনি রোগে খাদ্যতালিকা নির্ধারণ রোগের ধাপ, ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন, পটাশিয়াম, ফসফরাস, ও জলধারণ ক্ষমতার উপর নির্ভর করে। তাই খাবার পরিবর্তনের আগে অবশ্যই নেফ্রোলজিস্ট বা ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নেয়া জরুরি।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন