বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
Natun Kagoj

কোলোরেক্টাল ক্যানসারের প্রাথমিক ৪টি লক্ষণ যা এড়িয়ে যাবেন না!

কোলোরেক্টাল ক্যানসারের প্রাথমিক ৪টি লক্ষণ যা এড়িয়ে যাবেন না!
গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

বর্তমান সময়ে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের প্রাদুর্ভাব দ্রুত বেড়ে চলেছে। শুধুমাত্র বয়স্কদের মধ্যে নয়, তরুণরাও এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। তাই এর প্রাথমিক লক্ষণগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

কোলোরেক্টাল ক্যানসার মূলত বৃহদন্ত্র ও রেকটামের ক্যানসার। অনেক সময় মলের ছোটখাটো পরিবর্তনই প্রাথমিক সংকেত হিসেবে দেখা দেয়। সঠিক সময়ে লক্ষণগুলো শনাক্ত করা গেলে জীবন বাঁচানো সম্ভব।

প্রাথমিক শনাক্তের গুরুত্ব:
আমেরিকান ক্যানসার সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, ক্যানসার প্রাথমিকভাবে ধরা পড়লে ৫ বছরের বাঁচার হার প্রায় ৯০%, বিস্তার হলে ৭৩% এবং গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে ছড়িয়ে পড়লে মাত্র ১৩%।

কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ৪টি প্রাথমিক লক্ষণ:

মল সরু বা রিবন আকারের হওয়া: মল হঠাৎ সরু বা রিবন আকৃতির হলে এটি সতর্ক সংকেত হতে পারে। অন্ত্রে টিউমার মলপথ সংকুচিত করলে এমন পরিবর্তন দেখা দেয়।

মলে অতিরিক্ত শ্লেষ্মা (মিউকাস) দেখা: স্বাভাবিক শ্লেষ্মার চেয়ে বেশি জেলির মতো পদার্থ থাকলে এটি কোলোরেক্টাল ক্যানসারের লক্ষণ হতে পারে।

মলে রক্ত দেখা: মল লাল বা গাঢ় রঙের রক্তযুক্ত হলে সতর্ক হওয়া জরুরি। যদিও হেমোরয়েডস বা অন্যান্য সংক্রমণেও রক্ত থাকতে পারে, নিয়মিত রক্ত দেখা এবং অন্যান্য লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য: দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য বা এর পরিবর্তন ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। বিশেষ করে ৫০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে ঝুঁকি বেশি।

তরুণদের মধ্যে ঝুঁকি বাড়ছে:
‘দ্য ল্যানসেট অনকোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা গেছে, ২৫–৪৯ বছর বয়সী তরুণদের মধ্যে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের হার বেড়েছে। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার এবং স্থূলতা এর অন্যতম কারণ।

সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সময়মতো চিকিৎসা কোলোরেক্টাল ক্যানসারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় অস্ত্র। শরীরের ছোট পরিবর্তনকেও অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

আরও পড়ুন