বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • পছন্দের পদায়ন ও বদলি বাণিজ্যে মাইকেল মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উত্তরায় নারী উদ্যোক্তার রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর, প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ সস্তা বাহবা নিতে আইজিপির বক্তব্য দেশের ক্ষতি করবে: রিজভী বিজয়নগরে  নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার, চাচাতো ভাই আটক ডেঙ্গু-হামের প্রকোপে উদ্বেগ, ২৪ ঘণ্টায় ১৭ মৃত্যু ও হাসপাতালে ৩,৩৬৬ জন আশরাফুলের বিদায়ে দলে বড় প্রভাব পড়বে না, মনে করেন শান্ত উইন্ডোজ ১১ থেকেই চালান স্মার্টফোন, যেভাবে চালু করবেন ফোন লিংক পিছিয়ে গেল এইচএসসির ফল প্রকাশ, নতুন তারিখ ৩১ অক্টোবর ঢাকা-চট্টগ্রামের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হচ্ছেন এলিজা জামান
  • গাজীপুরে অভিযান, ৩৭টি রোগাক্রান্ত ঘোড়া জব্দ

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হত ঘোড়ার মাংস

    রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হত ঘোড়ার মাংস
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    গাজীপুরের হায়দারাবাদ (রথখোলা) এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ঘোড়ার মাংস এবং জবাইয়ের জন্য প্রস্তুত রাখা ৩৭টি রোগাক্রান্ত ঘোড়া জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। অভিযানে নেতৃত্ব দেন গাজীপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহমেদ।

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় কসাইখানায় গাজীপুর জেলা প্রশাসন, প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, র‌্যাব-১ ও পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান চালায়। অভিযানের সময় কারখানার মালিক শফিকুল ইসলাম (৪৫) ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যান।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শফিকুল এবং তার বাবা জয়নাল আবেদিন এক বছর ধরে নিয়মিতভাবে ঘোড়া কিনে জবাই করতেন। প্রতি রাতে ৩০ থেকে ৪০টি ঘোড়া জবাই করা হতো, যা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্রি করা হতো। স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরেই দুর্গন্ধ, শব্দ ও পরিবেশ দূষণ নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন।

    নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইশতিয়াক আহমেদ বলেন, এটি সম্পূর্ণ অবৈধ ও দণ্ডনীয় কার্যক্রম। এর আগে শফিকুলকে কয়েকবার জরিমানা করা হলেও সে থামেনি। এবার বড় আকারে অভিযান চালানো হয়েছে। ভবিষ্যতেও অভিযান চলবে।

    অভিযানের সময় উদ্ধার করা ৩৭টি জীবিত রোগাক্রান্ত ঘোড়া এবং ৮টি জবাই করা ঘোড়ার ৫ মণ মাংস স্থানীয় একজনের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। বুধবার (৫ নভেম্বর) সেগুলো গাজীপুর প্রাণিসম্পদ অধিদফতরে হস্তান্তর করা হবে। অধিকাংশ ঘোড়া রোগাক্রান্ত এবং মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর।

    র‌্যাব-১-এর পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে গোপনে ঘোড়া জবাই চলছিল। বিপুলসংখ্যক জীবিত ঘোড়া, জবাই সরঞ্জাম ও মাংস সংরক্ষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে হায়দারাবাদ এলাকায় ঘোড়ার মাংস বিক্রি শুরু হয়। পরে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত এটি নিষিদ্ধ করার পরও কয়েকদিন বন্ধ থাকার পর গোপনে পুনরায় শুরু হয়।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন