ধামরাই থানার ধর্ষণ মামলার আসামী আশুলিয়ায় গ্রেফতার

ঢাকার ধামরাইয়ে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় ধামরাইয়ের বালিয়া ইউনিয়নের রিফাত হোসেন ওরফে স্বপন (২০)কে আশুলিয়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৪। গ্রেপ্তারকৃত রিফাত হোসেন ধামরাই উপজেলার কামারপাড়া এলাকার শফিকুল ইসলামের ছেলে।
র্যাব-৪, সিপিসি-২-এর কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার মোঃ নাজমুল ইসলাম মঙ্গলবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সোমবার বিকেলে শ্রীপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে ধামরাই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
র্যাব জানায়, ঘটনার কয়েকদিন আগে ভুক্তভোগী কিশোরী তার চাচির সঙ্গে বেড়াতে গেলে স্বপন তার প্রতি প্রেমের প্রস্তাব দেয়। কিশোরী প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে স্বপন নিয়মিতভাবে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়া-আসার পথে তাকে উত্ত্যক্ত করা শুরু করে। বিষয়টি কিশোরীর পরিবারকে জানানোর পরও স্বপনের পরিবার তার ছেলেকে শাসন না করে ভুক্তভোগীর পরিবারকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিতে থাকে।
ঘটনার দিন ৬ সেপ্টেম্বর সকালে কিশোরী প্রাইভেট পড়ার জন্য বাসা থেকে বের হলে স্বপন ও তার কয়েকজন সহযোগী সূয়াপুর সিএনজি স্ট্যান্ডের কাছে তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পরে স্বপন মোবাইলের মাধ্যমে কিশোরীর মাকে জানায়, তিনি তার হেফাজতে রয়েছেন। ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করেছে, অপহরণকারীরা কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে এবং বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। ধামরাই থানায় মামলা দায়েরের পর র্যাব-৪ আভিযানিক দল ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় আশুলিয়ার শ্রীপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে রিফাত হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।
র্যাব কর্মকর্তারা আরও জানান, আসামিকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে ভুক্তভোগীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে এবং তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে এবং সকল প্রাসঙ্গিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।