বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতি ৮.৩৪%, মজুরি সূচক নেমেছে ৭.৯০ শতাংশে টেন্ডার থেকে বদলি-পদায়ন, গণপূর্তের বদরুল আলমকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ বাংলাদেশ-জার্মানি সম্পর্ক জোরদারে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ কে এই নেহা বোরা, ভারতের ছাত্র-যুব আন্দোলনের আলোচিত মুখ রসায়নে নোবেল পেলেন ফরাসি ও জাপানি দুই বিজ্ঞানী সুবিধাবঞ্চিতদের চিকিৎসাসেবা বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির ডেঙ্গুতে আরও ৮ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৮৬০ একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন শিক্ষার অন্তরালে বিত্তবৈভব: সহকারী প্রধান শিক্ষকের বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে চাঞ্চল্য! ‘মুসলিমরা ফ্রান্স দখলের চেষ্টা করছেন’ ট্রাম্পের দাবি 
  • হাম-রুবেলা টিকা পেয়েছে ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে দেওয়ার লক্ষ্য

    হাম-রুবেলা টিকা পেয়েছে ২ কোটি শিশু, আরও ৩৫ লাখকে দেওয়ার লক্ষ্য
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সারা দেশে ইতোমধ্যে প্রায় দুই কোটি শিশুকে হাম ও রুবেলার টিকা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। আগামী এক মাসে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

    বুধবার (৭ অক্টোবর) হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা পুনর্গঠনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনি প্রচারণা ও ইশতেহারে দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে মানুষের উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধমূলক কর্মসূচিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

    স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এ কাজে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি, ইউনিসেফ, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও মাঠপর্যায়ের কর্মীরা সহযোগিতা করছেন।

    হাম প্রতিরোধে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার ১৫ দিন পর থেকেই এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, সিটি করপোরেশন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় ইতোমধ্যে সারা দেশে দুই কোটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

    তবে এতেই কার্যক্রম শেষ হচ্ছে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিশুর জীবন গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিশু যেন টিকা থেকে বাদ না পড়ে, সেটিই সরকারের লক্ষ্য। এ কারণে এবারের কর্মসূচিকে ‘মপ-আপ ক্যাম্পেইন’ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

    এই কর্মসূচির আওতায় দুর্গম এলাকার শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু এবং আগের ধাপের টিকাদান থেকে বিভিন্ন কারণে বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হচ্ছে। এসব শিশুর কাছে পৌঁছাতে বাড়ি বাড়ি যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

    স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ি দুর্গম এলাকা কিংবা প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বসবাসকারী শিশুদের কাছেও টিকাদান কর্মসূচি পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। আগামী এক মাসে আরও প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছে সরকার।

    টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত সহযোগিতা ছাড়া এ কর্মসূচি সফল করা সম্ভব হতো না। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র সরকার, গ্যাভি ও ইউনিসেফের সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যকর্মী, সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সবাই দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে শিশুদের খুঁজে বের করে টিকার আওতায় আনতে কাজ করছেন। সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিশুদের কাছে টিকা পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন