শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ৭ সহকারী পুলিশ সুপার ও ৪৯ পরিদর্শককে বাধ্যতামূলক অবসর কমল সোনার দাম তিন দফা বৃদ্ধির পর জাহাজভাঙা কারখানায় বিস্ফোরণ: ৮ শ্রমিক নিহত ব্যাটারি রিকশা নিয়ন্ত্রণে আসছে নতুন নীতিমালা, নির্ধারিত কারখানায় হবে উৎপাদন জুলাই থেকেই আংশিক কার্যকর হতে পারে নবম পে-স্কেল বহু বছর পর যোগ্য রাষ্ট্রপতি পেতে যাচ্ছি: আসিফ নজরুল নাট্যমঞ্চ থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যা বললেন শামা ওবায়েদ আবুধাবি কাস্টমসের নামে ভুয়া বার্তা, প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান স্মার্ট ট্রাফিক ব্যবস্থার পথে ঢাকা, শাহবাগে চালু নতুন সিগন্যাল
  • ইউনিয়ন ব্যাংকের লুটপাটের অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা এখন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শীর্ষ পদে, দুদকের তলব

    ইউনিয়ন ব্যাংকের লুটপাটের অভিযুক্ত তিন কর্মকর্তা এখন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শীর্ষ পদে, দুদকের তলব
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    ইউনিয়ন ব্যাংকের প্রায় ২৬০৭ কোটি টাকার অনিয়মিত ঋণ অনুমোদনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত তিন কর্মকর্তার এখন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের শীর্ষ পদে দায়িত্বে থাকা বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। মো. হাবিবুর রহমান, মনসুর আহমেদ ও সালাহউদ্দিন – এই তিনজনই বর্তমানে যথাক্রমে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), মানবসম্পদ প্রধান ও প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা (সিএফও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিদর্শন প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ইউনিয়ন ব্যাংকের সময় হাবিবুর রহমান এস আলম গ্রুপের অনুকূলে বিপুল পরিমাণ ঋণ অনুমোদনে জড়িত ছিলেন। হাইকোর্টের নির্দেশে ২০২৪ সালে তিনি এমডি পদ থেকে পদত্যাগ করলেও অল্প কিছুদিন পর বাংলাদেশ ব্যাংক পুনরায় তাকে এমডি পদে নিয়োগ দেয়।

    পুনঃনিয়োগের পর থেকে হাবিবুর রহমান ব্যাংকে একচেটিয়া ক্ষমতা প্রয়োগ করছেন। ব্যাংকের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী অযৌক্তিকভাবে ছাঁটাই হয়েছেন এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিয়োগ দুর্বল ব্যাংক থেকে প্রমোশন বা অন্যভাবে করা হচ্ছে। মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান মনসুর আহমেদ এবং সিএফও সালাহউদ্দিন এই প্রক্রিয়ায় হাবিবুরের সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন।

    এদিকে, হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একাধিক মামলা রয়েছে। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সময়কার প্রতারণার অভিযোগেও তিনি অভিযুক্ত। দুদকের সূত্রে জানা গেছে, তিনজনকেই ইউনিয়ন ব্যাংকের অর্থ পাচার সংক্রান্ত তদন্তে তলব করা হয়েছে।

    স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের গ্রাহক ও আমানতকারীদের আস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ব্যাংকের আমানত কমেছে ২০২৩ সালের ২২,৬৬৫ কোটি টাকা থেকে ২০২৪ সালে ২০,৮৯০ কোটি টাকায়, ঋণ খেলাপি হার বেড়েছে ৭.১২ শতাংশ থেকে ২৯.৩১ শতাংশে। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ অশান্তি, জোরপূর্বক ছাঁটাই ও কর্মকর্তাদের নিয়োগের অনিয়ম বিষয়টিকে আরও জটিল করেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ব্যাংকটি কঠোর নজরদারিতে রয়েছে।

    হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের কাছে বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, তবে এমডি পদে নিয়োগের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের সিদ্ধান্ত। বিষয়টি সেখানে যাচাই করুন।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন