সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আইনশৃঙ্খলা উন্নত না হলে বিনিয়োগ বাড়বে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এইচ-১বি ভিসা ৩ বছরের জন্য স্থগিতের বিল মার্কিন সিনেটে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান সমাজকল্যাণমন্ত্রীর বাংলাদেশি পাসপোর্টে ভিসামুক্ত বা সহজ প্রবেশ ৩৫ দেশে তফসিল নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকের উদ্যোগ ইসির ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক, উদ্বেগ জানাল ইএসডিও ‘স্বৈরাচার হেরেছে’ স্লোগানে মুখর দিল্লি, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে উচ্ছ্বাস রোববার জাতীয় স্মৃতিসৌধ ও জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নতুন পে-স্কেল চূড়ান্তের পথে, আগস্টেই গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি তথ্যভিত্তিক ও নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার ওপর জোর দিলেন তথ্যমন্ত্রী
  • বাসস্থান থাকলেও মানবেতর জীবন: মতির মোড়ে ১৫০ পরিবারের করুণ চিত্র

    বাসস্থান থাকলেও মানবেতর জীবন: মতির মোড়ে ১৫০ পরিবারের করুণ চিত্র
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার ধলাগাছ ইউনিয়নের মতির মোড় আবাসন প্রকল্পে বসবাসরত ১৫০ পরিবার বছরের পর বছর মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বিশুদ্ধ পানির অভাব, স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন না থাকা এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংকটে বাসিন্দারা প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।

    বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে ঘরবাড়ির মেঝে পর্যন্ত পানি উঠে যায়। ড্রেন না থাকায় টয়লেট ও বাথরুমের নোংরা পানি রাস্তায় জমে থাকে। শুকনো মৌসুমেও পচা পানি ও দুর্গন্ধে স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্ভব নয়। স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশনসহ ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই পরিবারগুলো স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাছেও উপেক্ষিত।

    আবাসনের মিষ্টি বেগম (৩৫) বলেন, “কোনোদিনও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা চেয়ারম্যান-মেম্বাররা আমাদের খোঁজ নিতে আসেননি। শুধু ভোটের সময় আদর করে ডাকে, পরে ভুলে যায়।” একই সঙ্গে চলমান এসএসসি পরীক্ষার্থী মেঘলা খাতুন (১৬) বলেন, “গরীব হয়ে জন্ম নেয়া অভিশাপ মনে হচ্ছে। লেখাপড়ার জন্যও ভালো পরিবেশ নেই।”

    উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে সরকারের উদ্যোগে কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে সুবিধাবঞ্চিত ও ভূমিহীন পরিবারদের জন্য এই আবাসন প্রকল্পটি গড়ে তোলা হয়। তবে নির্মাণের সময় প্রকল্পটির জায়গা নির্বাচনে যথাযথ পরিকল্পনার অভাব এবং নিম্নমানের কাজের কারণে এটি এখন প্রায় বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

    স্থানীয়দের অভিযোগ, শুরুতে কিছুদিন ভালোভাবে থাকতে পারলেও প্রকল্পের জায়গা নিচু হওয়ায় বর্ষায় পানিতে তলিয়ে যায়, আবার খরায়ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি জমে থাকে। ফলে অনেকেই বাড়ি বিক্রি করে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

    এ প্রসঙ্গে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুর-ই আলম সিদ্দিক বলেন, “আমি ২০২৪ সালে এখানে যোগ দিয়েছি। এখনো পর্যন্ত কেউ এসে এসব সমস্যার কথা বলেনি। তবে সরকারি বরাদ্দ পাওয়া গেলে অবশ্যই উন্নয়ন করা হবে।”


    তৌসিফ রেজা, সৈয়দপুর 
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন